Physical Address
304 North Cardinal St.
Dorchester Center, MA 02124
Physical Address
304 North Cardinal St.
Dorchester Center, MA 02124

হ্যালো বন্ধুরা আজকের পোস্টে জানতে পারবেন পেশাদার ও অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর মধ্য পার্থক্য কি কি? এবং পেশাদার লাইসেন্স দিয়ে কি কি কাজে ব্যবহার করা যায়? অপেশাদার লাইসেন্স দিয়ে কি কি কাজে ব্যবহার করা যায়? এই সকল বিস্তারিত বিষয়ে আপনি জানতে পারবেন।
আপনি যদি ভাবেন আপনি একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই পূর্ববতী আগেই জেনে নিতে হবে কোন লাইসেন্সে কোন ধরনের কাজ এবং কিসে ব্যবহার করতে পারবেন। এগুলো জানা না থাকলে পরবর্তীতে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।
আরো পড়ুনঃ ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শিখে ফ্রি ড্রাইভিং লাইসেন্স ও যাতায়াতে ভাতা
বর্তমান বাংলাদেশের ড্রাইভিং লাইসেন্স দুই প্রকার যথা পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স।
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর অর্থ হল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স যাহা দ্বারা কোন ব্যক্তি একজন বেতনভোগী কর্মচারী হিসাবে মোটরযান বা গণপরিবহন চালাইবার অধিকারী হন। অর্থাৎ আপনি পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে যেকোনো গাড়ি চালাতে পারবেন।
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের নবায়ন করতে প্রতি পাঁচ বছর পর পর আপনাকে দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। হঠাৎ আপনি পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স যতবারই নবায়ন করবেন ততবারই আপনাকে দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
কতৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স যাহা একজন চালক কারো বেতনভোগী কর্মচারী না হয়ে মোটরসাইকেল এবং হালকাযান চালাতে পারে তাকে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স বলে। অর্থাৎ আপনি যদি শুধুমাত্র নিজস্ব গাড়ি চালাতে চান তাহলে কিন্তু আপনি অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে পারেন। তবে এই অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে আপনি কারণ বেতনভোগী হয়ে গাড়ি চালানো যাবে না।
অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের শর্ত কি কি:
অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর মেয়াদ থাকে ১০ বছর যেটি পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের দ্বিগুণ।
দেখুন বর্তমানে সকলেরই নিজস্ব মোটরসাইকেল বা হালকাযান রয়েছে নিজের পাশাপাশি তারা কিন্তু রাইট শেয়ারিং করে আয় করতে চায় এবং বাংলাদেশে পাঠাও র মত অনেক কোম্পানি রয়েছে যেখানে আপনি মালামাল, রাইড শেয়ারিং করে অথবা উপার্জন করতে পারবেন। তাই বিআরটিএ নির্দিষ্ট করে বলে দিয়েছে তাদের একটি শর্তবলী অনুযায়ী আপনি নিজের চাহিদা মিটিয়ে নিজস্ব মোটরসাইকেল বা যান দিয়ে কাজ করতে পারবেন।
তো বন্ধুরা আপনি যদি সম্পূর্ণ আমার পোস্টটি পড়ে থাকেন তাহলে আশা করি বুঝতে পারছেন কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কতটুকু ক্ষমতা রয়েছে। পরবর্তী আরো ইনফরমেশন পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করে রাখুন।