Physical Address
304 North Cardinal St.
Dorchester Center, MA 02124
Physical Address
304 North Cardinal St.
Dorchester Center, MA 02124

ড্রাইভিং লাইসেন্স কত প্রকার বন্ধুরা আপনি কি জানেন যে কোন ধরনের ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে কোন কোন ধরনের গাড়ি চালানো যায়। হয়তো অনেকেই জানেন না যে কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে কোন ধরনের গাড়ি চালাতে হয়। তাই আজকে এই পোস্টে আপনারা জানতে পারবেন কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে কোন ধরনের গাড়ি আপনি চালাতে পারবেন।
আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের যদি “C” মানে মোটরসাইক “L” মানে হালকা পরিবহন যদি থাকে তাহলে আপনি কোন কোন ধরনের গাড়ি চালাতে পারবেন তা আজকের পোস্টে জানতে পারবেন।
যদি আপনি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে চান তাহলে অবশ্যই কিন্তু আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর শ্রেণী সম্পর্কে জানতে হবে। না হলে আপনি বুঝে উঠতে পারবেন না যে আপনি কোন শ্রেণী এর ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করবেন।
কিভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আপনি অনলাইনে আবেদন করবেন এ বিষয় নিয়ে আমাদের পূর্ববর্তী একটি পোস্ট রয়েছে অবশ্যই সেটি দেখে নিবেন। ড্রাইভিং লাইসেন্স কত প্রকার ও কি কি
পড়ুনঃ
ড্রাইভিং লাইসেন্স সাধারণত দুই প্রকার হয়ে থাকে যেমন পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর “C” মানে মোটরসাইকেল অর্থাৎ দুই চাক্কায় চালিত যত ধরনের মোটরযান আছে যেমন, মোটরসাইকেল, স্কুটার, ইলেকট্রিক মোটরসাইকেল এ সকল গাড়ি চালাতে পারবেন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর “L” মানে লাইট অর্থাৎ হালকাযান। যে সকল মোটরযানের নিবন্ধিত লেডেন ওজন অর্থাৎ বোঝাইকৃত ওজন ৭৫০০ কেজি অথবা কোন ট্রাক্টর বা রোড রোলার এর আনলেডেন বা অবুঝাইকৃত ওজন ৭৫০০ কেজির বেশি নয়। এটার মানে বোঝাচ্ছে যে কোন প্রাইভেট গাড়ি অথবা যেকোনো গাড়ি যদি ৭৫০০ কেজির কম ওজন হয় তাহলে আপনি এল ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে চালাতে পারবেন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর “M” মানে মাঝারিযান। মোটরযান যেগুলোর নিবন্ধিত লেডেন ওজন অর্থাৎ বোঝাইকৃত ওজন ৭৫০১ কেজি থেকে ১২০০০ কেজি অথবা কোন লোকোমেটিভ বা রোডরোলার এর আনলেডেন বা অবুঝাইকৃত ওজন ৭৫০১ কেজি থেকে ১২০০ কেজি পর্যন্ত। এর মানে হচ্ছে আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে ১২০০০ কেজি এর মধ্য যে সকল গাড়ি রয়েছে সেই সকল গাড়ি আপনি চালাতে পারবেন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর “H” মানে ভারিযান অর্থাৎ ঐ সকল গাড়ি যেগুলোর নিবন্ধিত লেডেন ওজন বোঝাইকৃত ওজন ১২০০০ কেজির উপরে অথবা কোন লোকোমেটিভ বা রোড রোলার এর আনলোডেন ও বুঝাইকৃত ওজন ১২০০০ কেজির বেশি। এটির মানে বোঝার চেয়ে যে সকল গাড়ি ১২০০০ কেজির উপরে রয়েছে সেই সকল গাড়ি আপনি এই ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে চালাতে পারবেন।
আপনিও অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সে দুইটি শ্রেণীর যুক্ত করতে পারবেন যেমন “C” ও “L”.
আপনি পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সে ৩টি বা ৪টি শ্রেণী যুক্ত করতে পারবেন।
আপনি যদি হালকা লাইসেন্সের মেয়াদ এক বছর মেয়াদ সম্পূর্ণ করেন তাহলে আপনি মাঝারি লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া আপনারা হালকা লাইসেন্সের মেয়াদ যদি তিন বছর হয়ে থাকে তাহলে আপনি হালকা থেকে সরাসরি ভারী লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
কিভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর শ্রেণী উন্নয়ন করবেন এ বিষয় নিয়ে আমাদের পোস্ট রয়েছে সেগুলো দেখে নিবেন। Follow
বর্তমান সময়ে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আইনি জটিলতা এড়াতে একটি বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্সের কোনো বিকল্প নেই। আপনি শখের বশে মোটরবাইক চালান কিংবা পেশাদার হিসেবে বড় কোনো দূরপাল্লার ট্রাক—সড়কে গাড়ি নামাতে গেলে প্রথমেই প্রয়োজন সঠিক ক্যাটাগরির ড্রাইভিং লাইসেন্স। বাংলাদেশে সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (BRTA) বা বিআরটিএ এই লাইসেন্স ইস্যু করে থাকে।
অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, ড্রাইভিং লাইসেন্স আসলে কত প্রকার? কোন লাইসেন্স দিয়ে কী গাড়ি চালানো যায়? লার্নার লাইসেন্স আর মূল লাইসেন্সের পার্থক্য কী? আজকের এই বিস্তারিত ব্লগে আমরা ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রকারভেদ, বিভিন্ন যানবাহন অনুযায়ী এর শ্রেণি বা ক্যাটাগরি এবং লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে এ টু জেড আলোচনা করব ড্রাইভিং লাইসেন্স কত প্রকার ও কি কি।
ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রধানত কত প্রকার? ড্রাইভিং লাইসেন্স কত প্রকার ও কি কি
ড্রাইভিং লাইসেন্স কত প্রকার ও কি কি ব্যবহারের উদ্দেশ্য এবং চালকের পেশাগত অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে মূলত ২ প্রকার মূল ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করা হয়। তবে এর বাইরেও আবেদনের প্রক্রিয়াজনিত কারণে আরও কিছু বিশেষ প্রকারভেদ রয়েছে। চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক:
সহজ কথায়, যারা নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালানোর জন্য লাইসেন্স করেন, সেটিকে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স বলা হয়। এই লাইসেন্সধারী ব্যক্তি কোনো বাণিজ্যিক বা ভাড়ায় চালিত যানবাহন চালাতে পারবেন না এবং এই লাইসেন্স ব্যবহার করে কোথাও চালক হিসেবে চাকরি করতে পারবেন না।
যারা ড্রাইভিংকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে চান বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে গাড়ি চালাতে চান, তাদের জন্য পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক। বাস, ট্রাক, ট্যাক্সি, পিকআপ বা যেকোনো ভাড়ায় চালিত গাড়ি চালাতে এই লাইসেন্স প্রয়োজন হয়।
অন্যান্য বিশেষ লাইসেন্স বা অনুমতিপত্র ড্রাইভিং লাইসেন্স কত প্রকার ও কি কি
মূল দুটি প্রকারের বাইরেও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এবং আন্তর্জাতিক প্রয়োজনে আরও কিছু লাইসেন্স দেখা যায় ড্রাইভিং লাইসেন্স কত প্রকার ও কি কি:
ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিভিন্ন শ্রেণি বা ক্যাটাগরি (Vehicle Vehicle Classes)
ড্রাইভিং লাইসেন্সের মূল প্রকারভেদ (পেশাদার ও অপেশাদার) জানার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটি হলো—লাইসেন্সের শ্রেণি বা ক্যাটাগরি। আপনি লাইসেন্স কার্ডের পেছনে লক্ষ্য করলে কিছু ইংরেজি অক্ষর (যেমন: A, B, C, D ইত্যাদি) দেখতে পাবেন। এগুলো দিয়ে বোঝানো হয় আপনি ঠিক কোন ওজনের বা কোন ধরণের যানবাহন চালানোর আইনি অনুমতি পেয়েছেন ড্রাইভিং লাইসেন্স কত প্রকার ও কি কি।
বিআরটিএ নিয়ম অনুযায়ী যানবাহনের ওজনের ওপর ভিত্তি করে এই শ্রেণিগুলো নির্ধারণ করা হয়:
যেসব যানবাহনের নিবন্ধিত ওজন বা গ্রস ভেহিক্যাল ওয়েট (GVW) ২৫০০ কেজি (২.৫ টন) বা তার কম, সেগুলোকে হালকা যানবাহন বলা হয়।
যেসব যানবাহনের নিবন্ধিত ওজন ২৫০০ কেজি থেকে ৭৫০০ কেজি (২.৫ থেকে ৭.৫ টন) এর মধ্যে, সেগুলোকে মাঝারি যানবাহন ক্যাটাগরিতে ফেলা হয়।
যেসব যানবাহনের গ্রস ওয়েট ৭৫০০ কেজি বা ৭.৫ টন এর বেশি, সেগুলো ভারী যানবাহনের অন্তর্ভুক্ত।
যেকোনো ধরনের দুই চাকার মোটরচালিত বাহন যেমন স্কুটার বা গিয়ারযুক্ত মোটরসাইকেল চালানোর জন্য ‘A’ ক্যাটাগরির লাইসেন্স প্রয়োজন। এটি হালকা বা ভারী লাইসেন্সের সাথে এন্ডোর্সমেন্ট (যুক্ত) হিসেবেও নেওয়া যায়।
এক নজরে লাইসেন্সের প্রকারভেদ ও শর্তাবলী ড্রাইভিং লাইসেন্স কত প্রকার ও কি কি
নিচের টেবিলটি থেকে আপনি খুব সহজেই কোন লাইসেন্সের কী শর্ত, তা এক নজরে দেখে নিতে পারবেন:
| লাইসেন্সের প্রকার | সর্বনিম্ন বয়স | মেয়াদ | কোন ধরণের গাড়ির জন্য প্রযোজ্য? |
| অপেশাদার (Non-Pro) | ১৮ বছর | ১০ বছর | ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার, নিজস্ব ব্যবহারের জিপ বা মাইক্রোবাস। |
| পেশাদার হালকা (Pro-Light) | ২১ বছর | ৫ বছর | ভাড়ায় চালিত ট্যাক্সি, ক্যাব, বাণিজ্যিক মাইক্রোবাস, ছোট পিকআপ (২৫০০ কেজি পর্যন্ত)। |
| পেশাদার মাঝারি (Pro-Medium) | ২১ বছর | ৫ বছর | মিনিবাস, মাঝারি ট্রাক, কোস্টার (২৫০০ থেকে ৭৫০০ কেজি ওজন)। |
| পেশাদার ভারী (Pro-Heavy) | ২৩ বছর | 5 বছর | দূরপাল্লার বড় যাত্রীবাহী বাস, ভারী ট্রাক, লরি, ট্রেইলার (৭৫০০ কেজির বেশি)। |
বর্তমানে বাংলাদেশে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়াটি অনেকখানি ডিজিটাল এবং সহজ করা হয়েছে। আপনি ঘরে বসেই BRTA Service Portal (BSP) এর মাধ্যমে অধিকাংশ কাজ সেরে নিতে পারবেন। প্রক্রিয়াটি মূলত ৩টি প্রধান ধাপে সম্পন্ন হয়:
[ধাপ ১: লার্নার বা শিক্ষানবিস লাইসেন্স] ➔ [ধাপ ২: লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষা] ➔ [ধাপ ৩: বায়োমেট্রিক ও স্মার্ট কার্ড গ্রহণ]
অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), রেজিস্টার্ড ডাক্তারের কাছ থেকে নেওয়া মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং ছবির সাহায্যে লার্নারের আবেদন করতে হয়। সরকারি ফি পরিশোধ করার পর তাৎক্ষণিকভাবে লার্নার কার্ড ডাউনলোড করা যায়। এই কার্ডে আপনার পরীক্ষার একটি নির্দিষ্ট তারিখ ও কেন্দ্রের নাম দেওয়া থাকে (সাধারণত ২-৩ মাস পরের তারিখ দেওয়া হয়) ড্রাইভিং লাইসেন্স কত প্রকার ও কি কি।
নির্ধারিত তারিখে পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে আপনাকে তিনটি পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে:
ড্রাইভিং লাইসেন্স কত প্রকার ও কি কি পরীক্ষায় পাস করার পর অনলাইনে নির্দিষ্ট ফি (স্মার্ট কার্ড ফি) জমা দিতে হবে এবং বিআরটিএ অফিসে গিয়ে আঙুলের ছাপ (Biometric) ও চোখের মণি স্ক্যান দিয়ে আসতে হবে। বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হওয়ার পর আপনাকে একটি অস্থায়ী ই-লাইসেন্স বা স্লিপ দেওয়া হবে, যা দিয়ে আপনি সাময়িকভাবে গাড়ি চালাতে পারবেন। পরবর্তীতে আপনার স্মার্ট কার্ড প্রস্তুত হলে মোবাইলে এসএমএস-এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স কত প্রকার ও কি কি সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব। ভুয়ো বা জাল লাইসেন্স ব্যবহার করে কিংবা লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালিয়ে নিজের এবং অন্যের জীবন ঝুঁকিতে ফেলবেন না। আশা করি, ড্রাইভিং লাইসেন্স কত প্রকার ও কী কী শ্রেণি রয়েছে—এই বিষয়ে আপনার মনে থাকা সব দ্বিধাদ্বন্দ্ব এই ব্লগের মাধ্যমে কেটে গেছে। আজই আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ক্যাটাগরি বেছে নিয়ে বৈধভাবে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করুন এবং নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে অবদান রাখুন।